প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:৫৬
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি: নতুন কমিটিতে শীর্ষ পদে আলোচনায় যারা

রাড্ডা সেন্টারের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাসহ বিভিন্ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে গত ৩০ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। একই দিনে মহানগর উত্তর যুবদল এবং পশ্চিম ছাত্রদলের কমিটিও ভেঙে দেওয়া হয়। এসব কমিটি বিলুপ্তির পর থেকেই ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির নতুন নেতৃত্ব ঘিরে দলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে আলোচনা তুঙ্গে উঠেছে।

নতুন কমিটিতে আহ্বায়ক/সভাপতি এবং সদস্যসচিব/সাধারণ সম্পাদক পদে কারা আসবেন—তা নিয়ে চলছে জোরালো সমীকরণ। নতুন-পুরোনো মিলিয়ে বেশ কয়েকজন শীর্ষ পদের জন্য দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন এবং নীতিনির্ধারকদের নজর কাড়তে তদবির চালাচ্ছেন।

মহানগর উত্তরের শীর্ষ পদে সদ্য বিলুপ্ত কমিটির আহ্বায়ক আমিনুল হকের নাম সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে। তাঁর পক্ষে অবস্থান নিয়ে গত ৫ অক্টোবর গুলশানে ঝাড়ু মিছিল ও সমাবেশ করেন থানা-ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরা। বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ ইউসুফ ও ১ নম্বর সদস্য আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার আমিনুলের পক্ষে অবস্থান তুলে ধরে বলেন, প্রতিকূল সময়ে মাঠে থেকে নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন আমিনুল। এর বাইরে সভাপতি পদের দৌড়ে আলোচনায় আছেন ঢাকা-১৮ আসনের সাবেক প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মামুন হাসান, মহানগর উত্তরের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন এবং সদ্য বিলুপ্ত কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন।

অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক বা সদস্যসচিব পদে এগিয়ে আছেন বিলুপ্ত কমিটির সদস্যসচিব মোস্তফা জামান ও যুগ্ম আহ্বায়ক আফাজ উদ্দিন। এছাড়া সাবেক কমিশনার আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, মহানগর উত্তরের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হাজি ইউসুফ, সাবেক দপ্তর সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক এবং উত্তর যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক শরিফ উদ্দিন জুয়েলও লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন।

সম্ভাব্য নেতৃত্বের বিষয়ে এস এম জাহাঙ্গীর বলেন, দলীয় নীতিনির্ধারকরাই নেতাদের অতীত ভূমিকা ও সাংগঠনিক দক্ষতা মূল্যায়ন করে সঠিক সিদ্ধান্ত নেবেন। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যখনই যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তা নিষ্ঠার সাথে পালন করার চেষ্টা করেছেন বলে তিনি দাবি করেন।