সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভুল করলে খেসারত দিতে হবে দল এবং সরকার কে।
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন আগামী বছরের শেষের দিকে হলেও
বসে নেই সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীরা। দলীয় ফোরামে এখন পর্যন্ত এই বিষয় নিয়ে কোন আলোচনা না হলেও
দলের মনোনয়ন নিয়ে প্রার্থী হতে ইচ্ছুকরা চষে বেড়াচ্ছেন পুরো নগরী জুড়ে।
রেজাউল হাসান কয়েস লোদী সিটি কর্পোরেশনের চারবারের কাউন্সিলর। দায়িত্ব পালন করেছেন প্যানেল মেয়র হিসেবে।
নগর বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবং বর্তমান সরকারের নিয়োগ দেওয়া সিলেট উন্নয়ন কমিটির চেয়ারম্যান।
উচ্চশিক্ষিত কর্মীবান্ধব এবং হাসি মাখা মুখের সুখ্যাতি রয়েছে পুরো নগরী জুড়ে তার।
সবার সমর্থন নিয়ে মেয়র পদে লড়তে চান তিনি।
মিফতা সিদ্দিকী সেন্ট্রাল বিএনপি'র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক।
সিলেটের সুশীল রাজনীতিবিদদের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব। তিনিও চসে বেড়াচ্ছেন পুরো নগরী জুড়ে।
সম্প্রতি সরকার তাকে সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করেছেন।
এমদাদ হোসেন চৌধুরী নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। সব সময় কাজ করেন মানুষের জন্য।
যেখানেই সমস্যা সেখানেই এমদাদ হোসেনের একটা সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
দলীয় সমর্থন নিয়ে মেয়র পদে লড়তে চান তিনিও।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী সিলেট জেলা বিএনপি'র সভাপতি।
সিটি কর্পোরেশনের বর্তমান প্রশাসক ।
সরকারি সব সুযোগ সুবিধা নিয়ে তিনিও জনতার পাশে এখন। ইতোমধ্যেই ঘোষণা দিয়েছেন মেয়র হিসেবে প্রার্থী হবেন।
বদরুজ্জামান সেলিম। এই প্রথম সরকার তাকে একটি সম্মানজনক জায়গা দিয়েছেন।
জালালাবাদ গ্যাসের পরিচালক হয়েছেন তিনি। ছিলেন সিলেট মহানগর বিএনপি'র সাবেক সাধারণ সম্পাদক।
আপাদমস্তক রাজনীতিবিদ বদরুজ্জামান সেলিমের স্বপ্ন সিলেটের মেয়র হওয়া।
ইশতিয়াক সিদ্দিকী সিলেট জেলা বিএনপি'র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। গেল কয়েক বছর ধরে রাজনীতির পাশাপাশি সমাজ উন্নয়নে কাজ করছেন।
মেয়র হয়ে বৃহৎ পরিসরে কাজ করার স্বপ্ন তার।
আর আব্দুল কাইয়ুম জালালী পঙ্খী সিটি কর্পোরেশনের তিনবারের কাউন্সিলর। সিলেট মহানগর বিএনপি'র সাবেক আহবায়ক
তিনিও দলীয় সমর্থন নিয়ে মেয়র প্রার্থী হওয়ার আশা ব্যক্ত করেছেন।
বিএনপি'র জন্য কিন্তু আগামী সিটি নির্বাচন একটা কঠিন পরীক্ষা
কৌশলী হয়ে এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে দল এবং সরকারকে।
সিলেট থেকে আরো পড়ুন