সিলেট

জগন্নাথপুরে সং'ঘ'র্ষে'র ঘটনায় আরেকজনের মৃ'ত্যু, আটক ৪

প্রকাশ: ২৯ অক্টোবর ২০২৬ ১০:৫৫

 

জগন্নাথপুরের পল্লীতে বোরো জমিতে পানি সেচ ও মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে র'ক্তক্ষ'য়ী সং'ঘ'র্ষে'র ঘটনায় আ'হত মুজিবুর রহমান (৪০) নামে এক ব্যক্তি মা'রা গেছেন। বুধবার ভোরে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মা'রা যান। 

 এর আগেরদিন মুজিবুর রহমানের চাচাতো ভাই মতিউর রহমান (৫০) সং'ঘ'র্ষে ঘটনাস্থলে নি'হত হন। নিহ'ত'দের বাড়ি উপজেলার সৈয়দপুর—শাহারপাড়া ইউনিয়নের পীরেরগাঁও (চন্ডি হেদায়েতপুর) গ্রামে। সং'ঘ'র্ষের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ চারজনকে আটক করে বুধবার সুনামগঞ্জ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

জগন্নাথপুর থানার উপ—পরিদর্শক ( এসআই ) নূর হোসেন দুইজন নি'হতে'র সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সং'ঘ'র্ষে'র ঘটনায় আটক ৪ জনকে আদালতের মাধ্যমে সুনামগঞ্জ কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে থানায় মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে।

 

জানাগেছে,সোমবার দুপুরে পীরেরগাঁও গ্রামের আরব আলীর ছেলে আলমগীর হোসেনের সাথে একই গ্রামের আছির উল্লাহর ছেলে আবুল কাশেমের জমিতে পানি সেচ দেওয়া ও মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটি ও মারপিটের ঘটনা ঘটে। এর জেরে মঙ্গলবার দুপুরে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অ'স্ত্রশ'স্ত্রে সজ্জিত হয়ে এক র'ক্তক্ষ'য়ী সং'ঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘ'র্ষ চলাকালে আলমগীরের পক্ষের কৃষক মতিউর রহমান প্রতিপক্ষের ছুলফির আঘাতে বুকে গুরুতর জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মতিউরকে মৃ'ত ঘোষণা করেন। 

 

সং'ঘ'র্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আ'হত হয়েছেন। এর মধ্যে মতিউর রহমানের পক্ষের মুজিবুর (৩৮) ও আতাউর (৫০) কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বুধবার সকালে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মুজিবুর রহমান মা'রা যান। 

 

এদিকে সং'ঘ'র্ষে জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে তাৎক্ষনিকভাবে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলেন— পীরেরগাঁও গ্রামের আবুল কাসেম (৪৫),তাঁর স্ত্রী ছায়ারুল নেছা (৪০),সেবুল মিয়ার স্ত্রী সেফালী বেগম (৩৫) ও জামাল মিয়ার স্ত্রী বাহারুন বেগম (৪৫)।

সিলেট থেকে আরো পড়ুন